ইতিহাসে ৩০ জুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুরুর উপর পৈশাচিক হামলা

ইতিহাসে ৩০ জুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হকের ওপর পৈশাচিক হামলা—গ্রন্থাগারের সামনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের বিভীষিকা প্রতিবেদন:

এ আর হেলাল

ভোলা মিডিয়া হাউস//

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ৩০ জুন ২০১৮ (বিশেষ প্রতিবেদক):এটা ছিল একটি শনিবারের সকাল, যখন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম ধারা বয়ে চলা নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সময়টা আনুমানিক সকাল ৯টা ৩০। আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর ভিসি চত্বরে এসে উপস্থিত হলে তিনি সহযোদ্ধা এক নেতাকে ফোন করেন: “ভাই, আমি ভিসি চত্বরে চলে আসছি, আপনি কই?” অন্যদিকে, ফারুক এসএম হল থেকে রওনা হয়েছেন, আর রাশেদ তখন হলে ছিলেন না।ভিসি চত্বরে এসে নুর, ফারুক ও আরেক নেতা মিলে কয়েকজন সহযোদ্ধাসহ লাইব্রেরির দিকে অগ্রসর হন। কিন্তু তখনই একজন সিনিয়র থেকে গোপন বার্তা আসে—ছাত্রলীগ বিভিন্ন হল থেকে ‘হার্ডহিটার’দের জড়ো করেছে হামলার উদ্দেশ্যে।নুরের প্রতিক্রিয়া ছিল শান্ত কিন্তু দৃঢ়: “মারলে কিছু করার নাই, চলেন গিয়ে দেখি।”এই সাহসিক সিদ্ধান্তই তাদের নিয়ে যায় লাইব্রেরির সামনে—যেখানে ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর অধ্যায় লেখা হয়।ঘটনার ভয়াল বিবরণ:লাইব্রেরির সামনে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই মুহসিন হলের ‘মোন্না ভাই’ এবং জসিমউদ্দিন হলের ‘মেহেদী ভাই’ হঠাৎ করে নুরুল হক নুরের হাত ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দেন। সাথে সাথে শুরু হয় গণপিটুনি। চারপাশে প্রায় ৪-৫ শত মানুষের সামনে নুরকে ঘিরে ধরে ছাত্রলীগের উগ্র ক্যাডাররা। কেউ ঘুষি, কেউ লাথি, কেউ উড়ন্ত কিক—নুর যেন একটা বল, আর চারপাশে দানবের মতো ঘিরে থাকা মানুষগুলো যেন খেলোয়াড়।এক সহযোদ্ধা তাঁকে বাঁচাতে নুরের বাম হাত ধরে টান দেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। উল্টো তিনি নিজেই হামলার শিকার হন—পেছন থেকে উড়ন্ত লাথি এসে আঘাত হানে তাঁর পিঠে। তিনি গ্রন্থাগারের ভেতরে পড়ে যান। ছাত্রলীগের ৫-৭ জন টানাহেঁচড়া করে তাঁকে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করছে, আবার কয়েকজন তাঁকে ভেতরে রাখার চেষ্টা করছে। এ যেন এক বিভীষিকাময় যুদ্ধক্ষেত্র।পটভূমি:সেদিনের সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল সরকারের কাছে একটি দাবি—সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হোক। অথচ জবাব এসেছিল গণহারে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে।উপসংহার:৩০ জুন ২০১৮, শুধু একটি তারিখ নয়। এটি বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে ছাত্র আন্দোলনের প্রতি একটি অমানবিক নিষ্ঠুরতার স্মারক হয়ে আছে। রাষ্ট্রীয় আশীর্বাদপুষ্ট ছাত্রসংগঠনের বেপরোয়া আচরণ এবং নির্দোষ আন্দোলনকারীদের ওপর নির্মম নির্যাতন ভবিষ্যতের জন্য রেখে গেছে তীব্র প্রশ্ন—এই গণতন্ত্র কার? এই বিশ্ববিদ্যালয় কার

এ আর হেলাল ভোলা মিডিয়া হাউস ৩০-০৬-২৫—

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *